নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২১ মাঘ ১৪২৭, ২১ জমাদিউস সানি ১৪৪২
প্রসঙ্গ : বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা
প্রতি বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তিকে কেন্দ্র করে কী সমস্যা সৃষ্টি হয় তা সর্বজনবিদিত। জানা গেছে, এবার উচ্চমাধ্যমিকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করলেও বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২ লাখের বেশি আসন খালি থাকবে। বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর কর্মজীবনে প্রবেশ এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত আসন থাকার কারণেই এমনটা হবে। গত বছরও আগের পাস করা এবং নতুন পাস করা মিলিয়ে মোট আসনের ৭৪ শতাংশে শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছিল, যা প্রায় আট লাখের মতো। এবার মূলত সংকট সৃষ্টি হবে পছন্দের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ও বিষয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে দেশের ২০টি সাধারণ ও বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ৬টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে। সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গ্রুপের ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদনে নূ্যনতম যোগ্যতা ধরা হয়েছে এসএসসি বা এইচএসসির যে কোনো একটিতে নূ্যনতম জিপিএ-৩ এবং দুটি মিলিয়ে সাড়ে ৬। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েটসহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের নূ্যনতম যোগ্যতা আরো বেশি। সেই হিসাবে ১৩ লাখের বেশি পাস করলেও মূলত ভর্তির জন্য লড়াইয়ে নামতে পারবে সর্বোচ্চ জিপিএ-৩ পাওয়া শিক্ষার্থীরা। এ ধরনের শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১২ লাখ। তবে ভালোমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির লড়াইটা হবে প্রতি বছরের মতো।

কর্তৃপক্ষ অনেক চেষ্টা করেও উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করতে পারছে না। এটা কি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষগুলোর স্রেফ গাফিলতি, নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনো রহস্য? বর্তমান পদ্ধতি কি তাহলে কর্তৃপক্ষগুলোর বাড়তি আয়ের কোনো সুযোগ তৈরি করছে? দেশে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি পরীক্ষার সুনির্দিষ্ট কোনো ফি কাঠামো নেই এবং এই সুযোগে যে যার মতো করে ফি নির্ধারণ করে চলেছেন। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি পরীক্ষার একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা দরকার। এতে যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের কাজটি সুসম্পন্ন হবে এবং একইসঙ্গে দূর হবে ভোগান্তি। আমরা আশা করি, আগামীতে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছভিত্তিক ভর্তির আওতায় আসবে। পরবর্তী সময়ে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও এ পথেই এগোতে হবে। শিক্ষার গুণগত মান বাড়ানোও জরুরি। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যেমন দায়িত্ব রয়েছে, তেমনি দায়িত্ব রয়েছে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর পরিবারেরও। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুফল কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় পেতে শিক্ষার মান উন্নয়নের বিকল্প নেই। এজন্য উচ্চশিক্ষায় প্রবেশকালে বাধাসমূহ দূর করে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার বিকল্প নেই।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ২৫
ফজর৪:৪৪
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৪৭
মাগরিব৫:২৮
এশা৬:৪১
সূর্যোদয় - ৬:০০সূর্যাস্ত - ০৫:২৩
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২১৩৫৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.