নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪১
করোনার প্রভাব ফুলের বাজারে
জনতা ডেস্ক
পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও দেশের বাজারে ফুলের চাহিদা বেশি। দেশের বাজারে ফুলের একটি বড় অংশ আসে চীন থেকে। কিন্তু এ বছর করোনা ভাইরাস আতঙ্কে চীন থেকে আসা ফুলের জাহাজ সাগরে আটকে আছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে অন্যবারের তুলনায় এবার পণ্যটির দাম বেশ চড়া। দাম বেশি হওয়ায় ক্রয়ও কম হচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর শাহবাগের ফুলের দোকানগুলো ঘুরে দেখা যায়, দোকানগুলোতে ফুলের পরিমাণ অন্যবারের তুলনায় কম। জানতে চাইলে অধিকাংশ বিক্রেতা জানান, চীন থেকে বেশিরভাগ ফুল আসে। কিন্তু এবার করোনা ভাইরাসের জন্য আমদানি বন্ধ রয়েছে। ফুলতলা ফ্লাওয়ার সপের ম্যানেজার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে চীন থেকে ফুল আসা বন্ধ থাকায় বাজারে ফুলের সরবরাহ কম। দামও আগের চেয়ে দ্বিগুণ। অন্য বার লাল-সাদা গোলাপ যে দামে বিক্রি হতো, এবার তা দ্বিগুণের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করা লাগছে। দাম বেশি হওয়ায় বেচাকেনাও কমে গেছে। জাহাঙ্গীরের সঙ্গে কথা বলার সময় কয়েকজন ফুল কিনতে তার দোকানে আসেন। কিন্তু দাম বেশি হওয়ায় দর কষাকষির পর তারা ফুল না কিনেই চলে যান। পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে গোলাপ ফুল এবং মেয়েদের মাথার ফুলের বেনি সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় বলে জানান দোকানিরা। অন্য বছর প্রতি পিস গোলাপ ১০-১৫ টাকায়

বিক্রি হলেও এবার তা ২৫-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর মাথার বেনি বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ১০০ টাকায়। চায়না গোলাপ (আগে আমদানি করা) প্রতি পিস ৫০ টাকা এবং সাদা গোলাপ ৩০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। নিউ ফুলতলার মালিক পারভেজ চৌধুরী বলেন, করোনা ভাইরাস আতঙ্কে চীন থেকে আসা একটি বড় ফুলের জাহাজ সাগরে আটকে আছে। দেশে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এ কারণে ফুল নেই। তাই বেশি দামে বিক্রি করা লাগছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এসব দিবস উপলক্ষে ফুলের দাম একটু বেশি থাকে, কিন্তু এত না। নিউ অপরাজিতা দোকানের ম্যানেজার মো. দুলাল বলেন, চীন থেকে বাংলাদেশের চেয়ে দ্বিগুণ ফুল ওঠে বাজারে। সেখান থেকে ফুল না আসায় দেশি ফুলের ওপর চাপ পড়ছে। এ কারণে দাম বেড়ে গেছে। মো. দুলাল বলেন, এ বছর পহেলা ফাল্গুন আর ভালবাসা দিবস একই দিনে হওয়ায় বিক্রি কম হচ্ছে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীমে - ১৩
ফজর৩:৫৪
যোহর১১:৫৫
আসর৪:৩৩
মাগরিব৬:৩৫
এশা৭:৫৪
সূর্যোদয় - ৫:১৭সূর্যাস্ত - ০৬:৩০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৫৭৪.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.