নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০ ফাল্গুন ১৪২৭, ১০ রজব ১৪৪২
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিদেশি গণমাধ্যম
শাকিবুল হাসান
কঙ্বাজারের অসহনীয় শরণার্থী শিবির ছেড়ে রোহিঙ্গারা যখন স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যাচ্ছে, তখন কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থার পাশাপাশি বেশ কিছু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তরে নেতিবাচক সংবাদ পরিবেশন করছে। আরাকান রাজ্য নামে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ ছিল। এ রাজ্যেই ছিল রোহিঙ্গাদের বাস। স্বাধীন রাজ্য আরাকানে মুসলিম শাসনের অবসান ঘটে ১৬৩৫ খ্রিষ্টাব্দে। সেখান থেকেই শুরু আরাকানি মুসলমান তথা রোহিঙ্গাদের ভাগ্য বিপর্যয়ের। এরপর ১৭৮৪ সালে আরাকান স্বাধীনতা হারায়। বর্মি রাজা বোধাপোয়া আরাকান দখল করে নেন। আরাকানে বার্মার জাতিসত্তার শাসন শুরু হয়।

আরাকান রাষ্ট্রের মালিক রোহিঙ্গারা কেবল তাদের স্বাধীন রাষ্ট্রই হারায়নি, বরং ঘোর মুসলিমবিরোধী রাজা বোধাপোয়া অসংখ্য রোহিঙ্গা মুসলমানকে হত্যা করেন এ সময়। বোধাপোয়ার নৃশংসতাকে ছাড়িয়ে গত ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে রোহিঙ্গারা নজিরবিহীন গণহত্যা, ধর্ষণ, নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাদের জীবিকার শেষ সম্বলটুকুও আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে বা জোর করে কেড়ে নিয়েছে মায়ানমারের সেনাবাহিনী ও তাদের দোসররা। রোহিঙ্গাদের শত শত গ্রাম আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে বুলডোজার দিয়ে মাটিতে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের বর্ণনা অনুযায়ী রোহিঙ্গারা হলো পৃথিবীর সবচেয়ে অবহেলিত ও নির্যাতিত জনগোষ্ঠী। মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়ে চিৎকার করে কেঁদেছে দশকের পর দশক। আর মানবাধিকারের ফেরিওয়ালা আন্তর্জাতিক সমপ্রদায় নাকে তেল দিয়ে ঘুমিয়েছে। তবে মাঝে মধ্যে আড়মোড়া ভেঙে মায়ানমার অসন্তুষ্ট না হয় এমন লোক দেখানো তদন্ত দল গঠন করেছে যার ফল শূন্য।

আন্তর্জাতিক আদালতের অন্তর্বতী আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মায়ানমার আদালত অবমাননা করলেও আন্তর্জাতিক সমপ্রদায় বসে বসে মজা দেখছে। ওপরে ওপরে নিষেধাজ্ঞার কথা বললেও তলে তলে মায়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়িয়েছে, অস্ত্র বিক্রি করে চলেছে আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের অনেকেই।

ব্যতিক্রম কেবল বাংলাদেশ। বরাবরই মানবিক হাত বাড়িয়ে রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। জীবন বাঁচাতে কিংবা আরেকবার সংঘবদ্ধ ধর্ষণের হাত থেকে বাঁচতে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টে যখন রোহিঙ্গাদের ঢল শুরু হয় বাংলাদেশের টেকনাফ সীমান্তে, তখনো মানবতার মন্ত্রে দীক্ষিত বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। সাত লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে কঙ্বাজারের শরণার্থী শিবিরগুলোতে। সবমিলিয়ে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গার বাস ছোট পর্যটন শহর কঙ্বাজার।

কঙ্বাজারের বুকে চেপে বসা অতিরিক্ত ১১ লাখ মানুষের ভারে নিশ্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম পর্যটন নগরীর। অতিরিক্ত জনবসতির অসহনীয় চাপে পর্যটন নগরী পরিত্যক্ত নগরীতে পরিণত হওয়ার হুমকিতে। পাহাড় ও গাছ কেটে বাড়িঘর বানানোর কারণে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। রোহিঙ্গাদের কারণে কর্মসংস্থান ও জীবিকা হারিয়ে ক্রমশই ফুঁসে উঠছেন স্থানীয় অধিবাসীরা। এটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে যেকোনো সময়।

পাহাড়ের ঢালুতে রোহিঙ্গাদের জন্য আশ্রয় শিবির তৈরি করায় ভূমিধসের শঙ্কা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে। ঘুপচি ঘরগুলো বসবাসের জন্য অসহনীয়। রোহিঙ্গা শিবিরগুলো হত্যা, ধর্ষণ, মানবপাচার, অস্ত্র পাচার ও ইয়াবা পাচারের ভয়ঙ্কর আখড়ায় পরিণত হয়েছে। রোহিঙ্গা দুর্বৃত্তরা এদেশের মানুষদেরও হত্যা করছে। আনসার ক্যাম্পে আক্রমণ করে ক্যাম্প প্রধানকে হত্যা করেছে। ১১টি অস্ত্র লুট করে নিয়েছে। রোহিঙ্গা শিবির ঘিরে উগ্রবাদের শঙ্কার বিষয়ে এবং তাদের দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অপব্যবহারের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারিত হচ্ছে বারবার। পাসপোর্ট, এনআইডি জালিয়াতি করে এমনকি বিদেশে গিয়ে বাংলাদেশের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে রোহিঙ্গারা।

১৯৭৭ সালে তৎকালীন সৌদি বাদশাহ মায়ানমারে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের ঘোষণা দিলে অনেক রোহিঙ্গা সৌদি আরবে যায়। তারা ৩০ বা ৪০ বছর ধরে ওই দেশে আছে। তাদের ছেলেমেয়ের জন্ম হয়েছে সেখানে। কিন্তু ওদের পাসপোর্ট নেই। সৌদি আরবে অবস্থানরত অন্তত ৫৪ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিতে চাপ দিচ্ছে দেশটি। এমনকি তাদের পাসপোর্ট দেয়া না হলে দেশটিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ওপর নেতিবাচক প্রভাবের হুমকি দেয়া হচ্ছে।

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ সরকার এদেশের গৃহহীন মানুষদের জন্য ভাসানচরে তৈরি আশ্রয়ণ প্রকল্প-৩-এ সাময়িকভাবে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়। ভাসানচর রোহিঙ্গাদের স্থায়ী নিবাস নয়। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পর এখানে লাখ লাখ গৃহহীন, ছিন্নমূল বাংলাদেশির ঠাঁই হবে।

ব্রিটিশ পরামর্শক সংস্থার নির্মাণ সংক্রান্ত পরামর্শ ও জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী তিন হাজার ৯৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ভাসানচরে বসতি নির্মাণ করা হয়েছে। পরিকল্পিত এই আবাসনে উন্নতমানের রাস্তাঘাট, স্কুল, মসজিদ, সাইক্লোন শেল্টার, অগি্ন প্রতিরোধ ব্যবস্থা, নিরবচ্ছিন্ন নিজস্ব বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা, চিকিৎসাসেবা, বাজার ও বিপণনের ব্যবস্থা, ফোরজি নেটওয়ার্ক, নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি স্থাপনের ফলে পাল্টে গেছে চরটির সামগ্রিক চিত্র।

পর্যাপ্ত সুপেয় পানি, পরিবেশসম্মত স্যানিটেশন সুবিধা, খাদ্য সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা এবং জীবিকা নির্বাহের সুযোগ-সব মিলিয়ে ভাসানচর এখন যেন আধুনিক এক শহর। বেসামরিক প্রশাসনের জন্য প্রশাসনিক ও আবাসিক ভবন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভবন, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আবাসিক ভবন, নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের জন্য বাংলো, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কর্মকর্তাদের জন্য অত্যাধুনিক সুযোগসুবিধা-সংবলিত বাংলো নির্মাণ করা হয়েছে ভাসানচরে।

প্রশাসনিক কাজে নিয়োজিত জাতিসংঘ প্রতিনিধি, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার প্রতিনিধি, রেডক্রস ও আন্তর্জাতিক এনজিওর প্রতিনিধি, এতিমখানা, ডে কেয়ার সেন্টার ও সুপারশপের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অসহায় রোহিঙ্গারা যাতে অর্থনৈতিক কর্মকা-ে অংশ নিয়ে হতাশা কাটিয়ে উঠতে পারে এবং তারা যাতে দক্ষ কর্মী হয়ে মায়ানমার ফিরে যেতে পারে সে জন্য ভাসানচরে প্রশিক্ষণের উদ্যোগও গ্রহণ করেছে সরকার।

কঙ্বাজারের অসহনীয় শরণার্থী শিবির ছেড়ে রোহিঙ্গারা যখন স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যাচ্ছে, তখন কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থার পাশাপাশি বেশ কিছু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তরে নেতিবাচক সংবাদ পরিবেশন করছে।

এদের মধ্যে অন্যতম হলো আল-জাজিরা। তবে সবাইকে ছাপিয়ে এ দৌড়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আমাদের প্রতিবেশী ভারতের গণমাধ্যমসমূহ।

আল-জাজিরার সংবাদ শিরোনাম- 'Bangladesh moves nearly 2,000 Rohingya refugees to remote island' Second group of 1,800 Rohingya refugees sent to Bhasan Char island amid concerns maû of them have been coerced.

আল-জাজিরার এমন সংবাদ শিরোনামে আহত ও বিস্মিত। আল-জাজিরা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে ও স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রতি পক্ষপাতমূলক অনেক বানোয়াট সংবাদও অতীতে প্রকাশ করেছে।

সমপ্রতি ব্রিটেনের অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ তাদের 'ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবল ২০২১' নামের রিপোর্টে এই পূর্বাভাস দিয়েছে যে, বাংলাদেশ এখন যে ধরনের অর্থনৈতিক বিকাশের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে, তা অব্যাহত থাকলে ২০৩৫ সাল নাগাদ দেশটি হবে বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতি। আল-জাজিরার জ্বলুনিটা অনুমেয়। বাংলাদেশকে বৃহৎ অর্থনীতির দেশ নয়, মিসকিনের দেশ হিসেবে দেখতে চায়। কিন্তু ভারত তো বন্ধু দেশ, তাদের সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম কেন বাংলাদেশের বৈরী হবে? ভারতের জি-নিউজ-এর শিরোনাম '১৮০০ রোহিঙ্গাকে নির্জন দ্বীপে পাঠাল Bangladesh,, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ'। প্রায় একই রকম শিরোনাম করেছে ভারতের আরো বেশ কয়েকটি পত্রিকা-Heritage Bangla News, বাংলা খবর, আগাম বার্তা, সংবাদ.ইন, রাজ্য সংবাদ।

বাংলাদেশ লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে তাদের মৌলিক মানবাধিকার রক্ষা করেছে। বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্র শরণার্থীদের তাদের দেশে প্রবেশে যে কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করে বাংলাদেশও যদি ওই সব রাষ্ট্রের মতো সীমান্ত উন্মুক্ত না করত তাহলে রোহিঙ্গাদের পরিণতি কী হতো! ভাসানচরকে বাংলাদেশ সরকার থানা ঘোষণা করে এটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক ইউনিটে পরিণত করেছেন। ভাসানচরে কেবল রোহিঙ্গারাই নয়, রোহিঙ্গাদের দেখভাল করার জন্য পুলিশ, ডাক্তার, প্রকৌশলী, স্বাস্থ্যকর্মীসহ বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, নৌবাহিনীর সদস্য ও এনজিও কর্মীরা ভাসানচরে থাকবেন। শত শত বাংলাদেশি নাগরিক ভাসানচরে থাকতে পারলে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার নিয়ে কেন এমন কৃত্রিম দরদ!

রোহিঙ্গা গণহত্যার দায়ে মায়ানমারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জাতিসংঘের একাধিক প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে চীন আর ভোটদানে নীরব থেকেছে ভারত। এ ক্ষেত্রে চীন আর ভারতের অবস্থানের মধ্যে কি খুব বেশি ফারাক? কথায় বলে, নীরবতা সম্মতির লক্ষণ। ভারত নীরব থেকে রোহিঙ্গা গণহত্যা, ধর্ষণ তথা ঘৃণ্য মানবাধিকার লঙ্ঘনকে সমর্থন করেছে। মায়ানমারের অব্যাহত দুর্বৃত্তপনা ও চলমান রোহিঙ্গা-সংকটের মধ্যেই মায়ানমারের কাছে সাবমেরিন ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে ভারত। এটি মায়ানমারের গণহত্যার বিরুদ্ধে কিংবা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পক্ষে ভারতের অবস্থানের ইঙ্গিত দেয় কি!

রোহিঙ্গারা মুসলমান এটা মুখ্য নয়, রোহিঙ্গারা মানুষ সবার ওপরে এটা সত্য। বাংলাদেশ নয়, মায়ানমারের দুর্বৃত্তপনা, সংখ্যালঘু সমপ্রদায়ের ওপর তাদের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মায়ানমারের ধারাবাহিক প্রতারণার কথা লিখুন। আন্তর্জাতিক আদালতের আদেশের প্রতি মায়ানমারের অবজ্ঞার কথা বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরুন। রোহিঙ্গাদের জন্য মায়ানমারে নিরাপদ আশ্রয় তৈরিতে আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের ব্যর্থতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন। মায়ানমারের ওপর দৃশ্যমান চাপ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখুন। ভুলে গেলে চলবে না বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের অবস্থান দীর্ঘায়িত হলে তার প্রভাব এই অঞ্চলে পড়তে বাধ্য। প্রতিবেশীর ঘরে আগুন লাগলে আপনারটাও কিন্তু নিরাপদ থাকবে না।

শাকিবুল হাসান : লেখক
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ৩১
ফজর৪:০৪
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৩
মাগরিব৬:৪৫
এশা৮:০৫
সূর্যোদয় - ৫:২৭সূর্যাস্ত - ০৬:৪০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৩৮৭২.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.