নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০ ফাল্গুন ১৪২৭, ১০ রজব ১৪৪২
সাইবার হামলার আশঙ্কা
সরকারের ই-গভর্নমেন্ট কম্পিউটার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিমের (সার্ট) সাইবার ডায়াগনসিস ল্যাবে দেশের আর্থিক খাতের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানসহ মোট ১৯টি সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার ওয়েবসাইট থেকে 'ক্যাসাবস্ন্যাঙ্কা' নামের একটি ম্যালওয়্যার ভাইরাস কর্তৃক তথ্য চুরির বিষয়টি ধরা পড়েছে। জানা গেছে, তথ্য চুরির নেপথ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক একটি হ্যাকার গ্রুপ, যারা চুরি করা তথ্য হ্যাকার গ্রুপের কাছে পাঠাচ্ছে। হ্যাকার গ্রুপটি চুরি করা তথ্য দিয়ে ওইসব প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা চালালে তা ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। অবশ্য 'সার্ট'-এর সাইবার রেসপন্স টিম সার্বক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কাজ করছে। সম্ভাব্য সাইবার হামলা রোধে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকেও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাপী মানুষের জীবন ইন্টারনেটনির্ভর হয়ে পড়ছে। কেনাকাটা, ব্যাংক লেনদেন থেকে শুরু করে একান্ত গোপনীয় ব্যক্তিগত তথ্য- সবকিছুই এখন হাতের মুঠোয় থাকা স্মার্টফোন, কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিভাইসে স্থান পাচ্ছে। ফলে একে কেন্দ্র করে নানা ধরনের অপরাধও পর্যায়ক্রমে বাড়ছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। দেশে ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে অর্থ চুরিসহ নানা অপরাধ বাড়ছে। ইন্টারনেট মানবজীবনের অপরিহার্য অনুষঙ্গ হয়ে পড়ায় এ সংক্রান্ত অপরাধ রোধে সচেতনতাই হতে পারে সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ। তবে কেবল সচেতনতা তৈরিই যথেষ্ট নয়, পাশাপাশি সাইবার অপরাধ দমনে কঠোর আইন ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থাও থাকতে হবে। সাইবার ক্রাইম ইউনিট নামে ঢাকা মহানগর পুলিশের একটি ইউনিট আছে বটে, তবে এর জনবল খুবই অপ্রতুল। যে হারে সাইবার অপরাধ বাড়ছে এবং মানুষ যে হারে ইন্টারনেটনির্ভর হচ্ছে, তা বিবেচনায় নিয়ে এ খাতের জনবল বাড়ানো জরুরি।

আর্থিক খাতে সাইবার ক্রাইম কত বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে, ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেমসের নিউইয়র্ক শাখায় থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরির ঘটনায় তা স্পষ্ট হয়েছে। এ অবস্থায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি, কঠোর আইন ও এর প্রয়োগের মাধ্যমেই কেবল সাইবার অপরাধীদের অপতৎপরতা নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব। আমরা মনে করি, ব্যাংক ও আর্থিক খাতসহ সব ধরনের সাইবার অপরাধ দমনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিকল্প নেই। অন্যদিকে পরিবারের কিশোর-কিশোরীদের হাতে অ্যান্ড্রয়েডসহ দামি ডিভাইস তুলে দেয়ার ক্ষেত্রেও অভিভাবকদের সচেতন হওয়া উচিত। কারণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বস্ন্যাকমেইলের শিকার হওয়ায় অনেকের জীবনই হুমকির মুখে পড়ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনা দেশের জন্য শিক্ষণীয় বিষয় ছিল, এতে কোনো সন্দেহ নেই। প্রযুক্তির কল্যাণে বিশ্ব এখন একটি গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত হয়েছে। চাইলেও আমরা এর বাইরে থাকতে পারব না। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ভালো দিকের পাশাপাশি অনেক মন্দ দিকও রয়েছে। মন্দ দিকগুলো মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকসহ রাষ্ট্রের বড় বড় প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের সততা, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বজায় রাখার বিষয়টিও জরুরি। তা না হলে যে কোনো সময় বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটার আশঙ্কা থেকে যাবে- যা মোটেই কাম্য নয়। আমরা মনে করি, সাইবার হামলার যে আশঙ্কা রয়েছে তার জন্য আগের থেকেই সর্বাত্মক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুন - ১৫
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৯
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
১২৪৬৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.