নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ৪ মে ২০২১, ২১ বৈশাখ ১৪২৮, ২১ রমজান ১৪৪২
মুক্ত গণমাধ্যম ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না : ন্যাপ
স্টাফ রিপোর্টার
মুক্ত গণমাধ্যম ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া। গতকাল সোমবার 'বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস' উপলক্ষে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন তারা। ন্যাপ নেতৃদ্বয় বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যম এখন ইতিহাসের সবচাইতে ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। নগ্ন থাবায় সংবাদমাধ্যম পুরোপুরি শৃঙ্খলিত। সকলের মনে রাখতে হবে গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা একে অপরের পরিপূরক। গণতন্ত্র না থাকলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা থাকে না, তেমনই মুক্ত গণমাধ্যম ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। তারা আরও বলেন, শাসকগোষ্ঠীর রক্তচক্ষুর কাছে গণমাধ্যমকে অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হচ্ছে। শাসকগোষ্ঠী মুখে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা বললেও প্রকৃত অর্থে তারাই গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে পদদলিত করছে। শাসকগোষ্ঠী সকল সময়ই নিজেদের স্বার্থে বার বার গণমাধ্যমকেই টার্গেট করে। স্বাধীনতার ৫০ বছরে বহুবার গণমাধ্যম আক্রমণের শিকার হয়েছে উল্লেখ করে ন্যাপের নেতারা বলেন, এমন আক্রমণের শিকার হয়েছে যা সকল কিছুই মুক্ত গণমাধ্যম নীতির পরিপন্থী। সরকারের সমালোচনা করায় এবং বিরোধী সংবাদ পরিবেশনের কারণে এই সরকারের আমলে টিভি চ্যানেল বন্ধ হয়েছে। কারাবন্দি হয়েছে সম্পাদক-পরিচালক। ন্যাপ নেতৃদ্বয় আরও বলেন, সাংবাদিক সাগর-রুনির নির্মম হত্যাকা-ের রহস্য উদঘাটনেও চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বর্তমান সরকার। সব মিলিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। ফলে গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, এমনকি ভবিষ্যতে গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কায় রয়েছে দেশবাসী। গণমাধ্যম দেশ, জনগণ, রাষ্ট্র ও জনকল্যাণের কথা বলবে উল্লেখ করে নেতৃদ্বয় বলেন, মনে রাখতে হবে গণমাধ্যম যদি জনগণের আস্থায় জায়গায় থাকতে না পারে তাহলে সকল ক্ষেত্রেই বিপর্যয় ঘটতে বাধ্য। গণমাধ্যম গণমানুষের জন্য। তারা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয় কিংবা পত্রিকা না পড়ে, টেলিভিশন না দেখে তাহলে মিডিয়ার কিছুইত আর থাকবে না। তারা বলেন, গণমাধ্যমে যুগোপযোগী এবং মানসম্মত পরিবেশনা না থাকলে গণমাধ্যম দারুণ হুমকির মুখে পড়ে যাবে। সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের সংগঠনগুলো আজ নানান ভাগে বিভক্ত। ফলে উপেক্ষিত হয় সাংবাদিকতা এবং সাংবাদিকদের অধিকার। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশ।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীমে - ১৫
ফজর৩:৫২
যোহর১১:৫৫
আসর৪:৩৩
মাগরিব৬:৩৬
এশা৭:৫৬
সূর্যোদয় - ৫:১৬সূর্যাস্ত - ০৬:৩১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৭৫২.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.