নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ৪ মে ২০২১, ২১ বৈশাখ ১৪২৮, ২১ রমজান ১৪৪২
প্রতিরোধ-এ্যাকশনে আওয়ামী লীগ
নাশকতা-উগ্র সামপ্রদায়িকতা সৃষ্টি করলে কাউকে চুল পরিমাণ ছাড় দেবে না সরকার
সফিকুল ইসলাম
সরকারবিরোধী ইস্যুতে রাজপথে কিংবা রাজনীতির ময়দানে কোনো ধরনের নৈরাজ্য, নাশকতা-উগ্র সামপ্রদায়িকতা সৃষ্টি করলে কাউকে চুল পরিমাণ ছাড় দেবে না সরকার। একইসাথে সরকারের পাশাপাশি তাদের (সরকারবিরোধীদের) প্রতিরোধ-অ্যাকশনে মাঠে থাকবে টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা দল আওয়ামী লীগ।

হেফাজতে ইসলামের মলাটে গাঁটছড়া বেঁধেছে সরকারবিরোধী শক্তি এমনটাই মনে করছে টানা ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে সরকার পরিচালনাকারি দল আওয়ামী লীগ। ইতোমধ্যে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আগমনকে ঘিরে হেফাজতে ইসলামের সন্ত্রাসী কর্মকা-ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার। সরকারি দলটির নেতাদের দাবি, যারা সামপ্রদায়িক ধর্মীয় অন্ধত্বকে পুঁজি করে দেশে উগ্র সামপ্রদায়িকতা সৃষ্টি করে জঙ্গিবাদী রাষ্ট্র বানাতে চায় তাদের বিরুদ্ধে দলটির প্রতিরোধ চলমান থাকবে। একইসাথে অতীত কর্মকা- বিবেচনা করে ভবিষ্যতে হেফাজতেকে আর ছাড় না দেয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে দলটির হাইকমান্ড। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে মুজিব চিরন্তন শীর্ষক ১০ দিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাংলাদেশ সফরে আসেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গত ২৬ ও ২৭ মার্চ তিনি বাংলাদেশে অবস্থান করেন। অভিযোগ রয়েছে, মোদীর আগমনকে ঘিরে বিএনপি-জামায়াতের ইন্ধনে গা ঝাড়া দিয়ে ওঠে হেফাজতের নেতাকর্মীরা। মোদী বিরোধিতার নামে ঢাকা চট্টগ্রাম, হাটহাজারী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ফরিদপুর, গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপিও হেফাজতের কায়দায় সন্ত্রাসী তৎপরতা চালানোর চেষ্টা করে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, হেফাজতের তা-বের পেছনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে বলে মনে করছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা। বিএনপি নেত্রী নিপুন রায়ের ফোনালাপ এবং দলটির সিনিয়র নেতাদের সামপ্রতিক বক্তব্যে এর সত্যতা ফুটে উঠেছে। শুধু তাই নয়, হেফাজতের নামে মৌলবাদী শক্তির তৎপরতা দেশ ও জনগণের জন্য হুমকি বলেও মনে করছেন দলটির হাইকমান্ড। তাই এই অপশক্তির পেছনের ইন্ধনদাতাদেরও খুঁজে বের করার পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। অভিযোগ রয়েছে, হেফাজতের কর্মসূচিতে ঢুকে গাড়ি পোড়াতে নির্দেশ দেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুন রায়। এই ফোনালাপ গোয়েন্দাদের হাতে যাওয়ার পর রায়েরবাজারের বাসা থেকে নিপুন রায়কে গ্রেফতার করে র‌্যাব। দেশের কয়েকটি এলাকায় হেফাজত কর্মীদের সরকারি ও বেসরকারি অফিস ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় অগি্নসংযোগের পেছনে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত-শিবির কর্মীরা সক্রিয় ছিল বলে সন্দেহ ক্ষমতাসীনদের। রাজনীতির মাঠে নিজেদের শক্তি হারিয়ে এখন অন্যের ওপর ভর করে ফায়দা নেয়ার অপচেষ্টা করছে বিএনপি-জামায়াত জোট।

আওয়ামী লীগ নেতারা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে দলীয় হাইকমান্ড থেকে সারাদেশে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগের নেতাদের স্বাধীনতা বিরোধীদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার জন্য নিদের্শনা দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে যেসব এলাকায় ইতোমধ্যে হেফাজত, বিএনপি, জামায়াতের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে, তাদের তালিকা করারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সরকারের হার্ডলাইনের কারণে সারাদেশে হেফাজতের ইসলামের নামে তা-বকারী, মদদদাতাদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার শুরু হয়েছে। গত ৩ এপ্রিল বিকেলে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্ট নামের একটি হোটেলে এক নারীসহ অবরুদ্ধ হয়। ওই সময় ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) টিএম মোশাররফ হোসেন। এ সময় ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন মামুনুল। তিনি জানান, দুই বছর আগে তাকে বিয়ে করেছেন। সব তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। এরপর সাংবাদিক, পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন এসে মামুনুলের দেয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করতে করতে রাত আটটা পার হয়ে যায়। এর পর এক পর্যায়ে মামুনুলের অনুসারীরা এসে মূল গেটসহ পুরো রিসোর্টে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে এবং তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। রিসোর্টে হামলার ঘটনায় একাধিক মামলা হয়। ঘটনার পর থেকে বেশকিছু গা-ঢাকা দিয়ে ছিল মামুনুল। পরে অবশ্য মোহাম্মদপুর থানার একটি চুরির মামলায় মামুনুল হককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এদিকে ওইদিন হেফাজতের নেতাকর্মীরা রিসোর্টে হামলার পাশাপাশি মামুনুলকে অবরুদ্ধ করার জন্য ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে দায়ী করে রাতেই উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু ও নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি হাজি সোহাগ রনির ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনায় গত ৪ এপ্রিল রাতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার ওসি রফিকুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে পুলিশলাইনে সংযুক্ত করা হয়। এর একদিন পর ৫ এপ্রিল রাতে নারায়ণগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) টিএম মোশাররফ হোসেনকে খুলনা পুলিশ রেঞ্জে বদলি করা হয়।

দলীয় সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ ও প্রশাসনের মধ্যে থাকা বিএনপি-জামায়াত ও হেফাজত সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করাও হচ্ছে। সময় মতো তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর আগে হেফাজতের তা-বের ধারাবাহিকতায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শুরু করে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল। প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, এরপর নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও এবং পরবর্তীতে ফরিদপুরের সালথায় পরিদর্শনে যান। এসব এলাকায় পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধি দলের নেতারা সহিংসতায় জড়িত হেফাজত ইসলামের নেতাকর্মীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করার কঠোর বার্তা দেন। নেতারা জানান, সরকার ইতোমধ্যে সন্ত্রাসী কর্মকা-ের বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রত্যেক জেলায় ও উপজেলায় সন্ত্রাসী কর্মকা- কঠোরভাবে দমন করতে প্রশাসনকে সহয়তা করার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেন নেতারা। কারণ হেফাজতে ইসলামের মলাটে বিভিন্ন ধর্মভিত্তিক উগ্র রাজনৈতিক দলের নেতারা রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের লক্ষ্যে পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ছেন বলেও মনে করছেন নেতারা। তাই এবার হেফাজত ইস্যুতে কৌশলগত কারণে হার্ডলাইনে থাকার পরিকল্পনা নিয়েছে আওয়ামী লীগ।

নজরদারিতে আ্থলীগের হেফাজতপ্রেমীরা : হেফাজতে ইসলামের উগ্র সামপ্রদায়িক নেতাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে থাকলেও ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গ, সহযোগী সংগঠনের অনেক নেতাকর্মী হেফাজতকে অন্ধভাবে সমর্থন জুগিয়েছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে নিজ দলের হেফাজতপ্রেমী নেতাদেরও নজরদারিতে রেখেছে আওয়ামী লীগ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। বিএনপি-জামায়াতের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের যেসব নেতা হেফাজতকে নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন। তবে সরকারের কঠোর মনোভাব বুঝতে পেরে অনেকেই আবার ইতোমধ্যে নীরবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। ধ্বংসাত্মক কর্মকা-ে জড়িত হেফাজত নেতাদের সাথে সখ্যতার অভিযোগ উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য এবাদুল করিম বুলবুলের বিরুদ্ধে। ওই সংসদ সদস্য দীর্ঘ সময় ধরেই হেফাজতের কর্মকা-ের সাথে সম্পৃক্ত। তার প্রতিষ্ঠান বিভিন্নভাবে হেফাজতে ইসলামকে সহায়তা দিয়ে আসছে। যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন খোদ সরকারি দলের নেতারা। স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন এবাদুল করিম বুলবুল। তিনি হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে শুরু থেকেই সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালায়। তারা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর এবং অগি্নসংযোগ চালায়। এমন কর্মকা-ের পরেও গত ২৪ এপ্রিল স্থানীয় হেফাজত নেতা আমজাদ হোসেন আশরাফীর সঙ্গে গোপনে বৈঠক করেন ওই সংসদ সদস্য। অথচ হেফাজতে ইসলামের অপকর্মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। জেলা হেফাজতের অন্যতম শীর্ষ নেতা আমজাদ হোসেন আশরাফী ২৬ মার্চ ৪১টি নৌযানে হেফাজতকর্মীদের নিয়ে নবীনগর থেকে জেলা শহরে আসেন এবং ধ্বংসাত্মক কর্মকা-ে অংশ নেন। যা একাধিক সংস্থার রিপোর্টে এসেছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য এবাদুল করিম বুলবুলের হেফাজত সখ্যতা নিয়ে জেলাজুড়ে তোলপাড় চলছে। হেফাজত নেতা আশরাফীর সঙ্গে থাকা এমপির বৈঠকের ছবি দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল লিখেছেন, নবীনগরের এমপি সাহেব এই রহস্যের মানেটা বলবেন? প্রধানমন্ত্রীকে গালি দিবে, আওয়ামী লীগের চৌদ্দগোষ্ঠীকে উদ্ধার করবে, আবার এই আশরাফীরা আপনার ছায়াতলে থাকবে, এটার মানেটা কী? ওই এমপি ও হেফাজত নেতার ছবি দিয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য মেহেদি হাসান লেলিন লিখেছেন, এভাবেই চলছে আমাদের কতিপয় রাজনৈতিক নেতাদের অপরাজনৈতিক কর্মকান্ড। নিজ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতেই কেবল মুখে জয় বাংলা ধ্বনি আর বঙ্গবন্ধুপ্রীতি আর নেপথ্যে তাদের ভিন্নরূপ বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নির্মাণের বিরোধিতাকারী আর প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে কটাক্ষকারী, গালমন্দ করা হেফাজত নেতাদের রক্ষক তারা, এটাই আমাদের সমসাময়িক রাজনৈতিক সংস্কৃতি। তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য এবাদুল করিম বুলবুলের মোবাইলে ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে কথা হয় আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক এর সাথে। তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সামপ্রদায়িকতার বিরুদ্ধে একটি অসামপ্রদায়িক রাজনীতিকে সুসংগঠিত করি এবং চেতনায় উদ্বুদ্ধ করি। এমনকি একটি অসামপ্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ ব্যবস্থার জন্য আমাদের রাজনৈতিক অবস্থান। যে সামপ্রদায়িক কলহ ও উগ্র সামপ্রদায়িকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে, এটি রাজনৈতিকভাবেই আমরা মোকাবিলা করার পক্ষে। সরকার রয়েছে, তারা অবশ্যই তাদের জায়গা থেকে ব্যবস্থা নেবে। তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলাম যে কর্মকা- করছে, তাদের আর এক চুল ছাড় দেয়া হবে না। তারা (হেফাজত) সামপ্রদায়িক ধর্মীয় অন্ধত্বকে পুঁজি করে দেশে উগ্র সামপ্রদায়িকতা নিয়ে জঙ্গিবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়, তাদের নিয়ন্ত্রণ জানান দিতে চায়, শক্তির জানান দিতে চায়্ত তাদের বিরুদ্ধে আমাদেরও প্রতিরোধ চলবে। একইসুরে কথা বলেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন। আর দলটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর বলেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যহত করতে চায়। আজ বিশ্ব নেতৃত্ব যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করছে, তখন তারা ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছেন। যারা হেফাজতে ইসলামের ব্যানারে আন্দোলন-সংগ্রামের নামে তা-ব করেছেন, তাদের বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবে না। একইসাথে সরকারের পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে প্রতিরোধ-অ্যাকশন চলমান থাকবে বলে জানান ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীমে - ৭
ফজর৩:৫৮
যোহর১১:৫৫
আসর৪:৩২
মাগরিব৬:৩৩
এশা৭:৫১
সূর্যোদয় - ৫:১৯সূর্যাস্ত - ০৬:২৮
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৯১৭.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.