নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ৩১ জুলাই ২০২০, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, ৯ জিলহজ ১৪৪১
জগন্নাথপুরে বন্যায় ভেসে গেছে মৎস্য খামারির স্বপ্ন
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে উপর্যুপরি তিন দফা বন্যায় মৎস্য খামারিদের স্বপ্ন পানিতে ভেসে গেছে। ভাড়া করা অন্যের জমিতে অধিক লাভের আশায় মৎস্য খামার করে এখন তারা দিশেহারা। জমিনের ভাড়ার টাকা কিভাবে পরিশোধ করবেন এ নিয়েও চাষিরা পড়েছেন বেকায়দায়। জানা যায়, মাছ চাষ করে অধিক লাভের স্বপ্ন দেখেন উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের গন্ধর্ব্বপুর গ্রামের হাজী এখলাছুর রহমান আখলই, একই গ্রামের জফর আলী, বাবুল মিয়া, আওয়াল মিয়া, মুবাশি্বর আলী, বাগময়না গ্রামের মো. আলমঙ্গীরসহ আরো অনেকেই মৎস্য খামার করেন। মৎস্য খামারিরা এপ্রিল মাসে পুকুর ও দিঘীতে মাছ চাষের উপযোগি করে রুই, কাতলা সহ বিভিন্ন ধরণের মাছের পোনা চাষ শুরু করেন। এতে পোনা ক্রয়সহ প্রায় লাখ লাখ টাকা ব্যয় হয়। মৎস্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শক্রমে খামারের মাছের যাবতীয় পরিচর্যা ঠিক মত চলে আসছিল। এতে প্রতিটি মাছ দ্রুত বেড়ে বলিষ্ট হয়ে দেহের গঠন দেখে চাষিরা ছিলেন আনন্দে। প্রতিটি মাছ ৪০টাকায় বিক্রি হওয়া সম্ভব ছিল। সময় মতো পুকুর ও দিঘী থেকে মাছ তুলে বাজারে বিক্রি করে অধিক লাভের মুখ দেখবেন এমন প্রত্যাশায় শ্রমিক নিয়ে দিন-রাত পরিশ্রম করে আসছিলেন মৎস্য খামারিরা। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস। জুনের শেষের দিকে টানা ভারি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে বন্যার সৃষ্টি হয় এবং পুকুরের চারপাশে জাল ফেলে মাছ রক্ষা করা হয়। আকস্মিক বন্যার পানি কমতে না কমতেই দু'সপ্তাহের ব্যবধানে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে প্লাাবিত হয়ে যায় উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। সে সাথে শেষ রক্ষা হয়নি খামারির। পানির সাথে ভেসে যায় খামারের মাছ। সেই সাথে ভেসে যায় অধিক লাভের স্বপ্ন। ওই বন্যার পানি ধীর গতিতে কমতে শুরু করলে উপযুপরি আবারও তৃতীয় দফা বন্যায় উপজেলা বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে অসংখ্য খামারিদের স্বপ্ন ভেসে যায় পানিতে।

এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত খামারি হাজী এখলাছুর রহমান আখলই একই গ্রামের জফর আলী বলেন, বন্যায় তাদের স্বপ্ন পূরণ হয়নি। লাভের স্থলে মূলধন হারিয়ে তারা এখন সর্বশান্ত। পর পর তিন দফা বন্যায় তাদের দুজনের ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আরেক দুই ক্ষতিগ্রস্ত খামারি বাগময়না গ্রামের আলমঙ্গীর বলেন, বড় আশা করে কয়েক লাখ লাখ টাকার পোনা মাছ ছেড়েছিলেন। দফায় দফায় বন্যায় প্রায় ৩০ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। এ ক্ষতি পূরণ হওয়ার নয়। এ ব্যাপারে উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মো. আকতারুজ্জামান জানান, আমাদের কাছে তথ্য আছে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৬০ জন মাছ চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ক্ষতি প্রায় ১ কোটির টাকার মত। মৎস্য অধিদপ্তর এ বিষয়ে আন্তরিক। ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের আর্থিক সহযোগিতা বা ক্ষতিপূরণ বাবদ আর্থিক সহায়তা পাওয়ার একটা আশ্বাস পেয়েছি। আশা করি অচিরে এটা আমরা পাব। সহায়তা পাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের মধ্যে এটা বিতরণ করতে পারবো।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুন - ১৫
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৯
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৭৩৩৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.