নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ৩১ জুলাই ২০২০, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, ৯ জিলহজ ১৪৪১
রাজধানীর নিচু এলাকায় ঢুকেছে বন্যার পানি
স্টাফ রিপোর্টার
রাজধানীর ডেমরা, জুরাইন, মাদারটেক, খিলগাঁও, বাড্ডা ও সাঁতারকুলসহ নিচু এলাকায় পানি ঢুকেছে। এইসব অঞ্চলে মূলত বালু নদী ও শীতলক্ষ্যার পানি প্রবেশ করেছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এক পূর্বাভাসে বলেছে, জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশ ও উজানের অববাহিকার অনেক স্থানে বৃষ্টিপাতসহ কিছু স্থানে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হয়েছে। ফলে দেশের প্রধান নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে উজানের অংশে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে এলেও আবহাওয়ার সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহে উজানের অববাহিকায় অনেক স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া চলতি সপ্তাহে চন্দ্রপঞ্জিকানির্ভর জোয়ারভাটাজনিত কারণে নদ-নদীর পানি সাগরে নিষ্কাশিত হয়ে হরাস পাওয়ার প্রবণতা কিছুটা ধীর হয়ে আসতে পারে। ফলে দেশের প্রধান নদ-নদীর পানি চলতি সপ্তাহে সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীল থাকতে পারে। আগস্টের প্রথম সপ্তাহে প্রধান নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করতে পারে। আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে দেশের বন্যাকবলিত অঞ্চলগুলোর বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

রাজধানীর ডেমরা থানার কোনাপাড়ার বাসিন্দা হালিমা বলেন, আগে আশপাশে কোনো পানি আছিল না। একেবারে উঁচা আছিল সব। এহন প্রতিদিনই বাড়তাছে। পানি আইছে এক সপ্তাহের উপরে অইবো। পানি বাড়তেই আছে। পানি বাড়তে বাড়তে ঘর পর্যন্ত আইয়া পড়ছে। ওই (রান্না ঘর দেখিয়ে) ঘর একেবারে পানিতে ভইরা গেছে। এই (থাকার) ঘর একটু হুকনা (শুকনো)। মাইঝা রাইতে কী অয়, কইতে হারি না। আগে রান্নাঘর ওই রুমে ছিল। এহন ডুইবা গেছে। ঘরের মধ্যে রান্দি (রান্না করি)। তিনি বলেন, আলাদা ঘরও লইতে পারতাছি না। এক মাসের লেইগা কেউ ঘর দিবো? পানি কবে যায় না-যায় ঠিক আছে?

কোনাপাড়া বাজারের বিভিন্ন দোকানপাট, বাড়ি ও ভবনে বন্যার পানি ঢুকে গেছে। কোনাপাড়ার নতুন ঢালাই করা রাস্তা দিয়ে অল্প সামনে এগোলে দেখা যায়, ওই এলাকার সব ভবন, দোকানপাট ও বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। অনেকে যাতায়াত করছেন নৌকায়।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, কেবল কোনাপাড়া নয়, ঢাকার পূর্বদিকে ডেমরা, জুরাইন, মাদারটেক, খিলগাঁও, বাড্ডা, সাঁতারকুল- এসব অঞ্চলগুলোর যে নিচু এলাকা আছে, সেখানে পানি উঠেছে। এগুলোতে মূলত বালু নদী ও শীতলক্ষ্যার পানি প্রবেশ করেছে।

রাজধানীর ডেমরা এলাকার বাসিন্দারা জানান, ১৯৯৮ সালের পর ঢাকায় এমন বন্যা হয়নি। অনেক বাড়িঘরে পানি ঢুকে গেছে। কোনো কোনো এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ করেছে, ১০ দিনের বেশি হয়েছে। আবার কোথাও কোথাও সপ্তাহখানেক হলো বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। এসব এলাকার অনেক জায়গায় বাড়িঘরে পানি প্রবেশ না করলেও আশপাশে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এই বন্যা পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। তাদের ভাড়া করা কাঁচা কিংবা আধা-কাঁচা ঘরগুলোই বেশি তলিয়েছে বন্যার পানিতে। বন্যায় ভোগান্তির শিকার এসব মানুষের অভিযোগ, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা করা হচ্ছে না। এমনকি তাদের খোঁজ-খবরও নেয়া হচ্ছে না।

স্থানীয়রা বলছেন, প্রতিদিনই বন্যার পানি বাড়ছে। এমনকি বুধবারও বন্যার পানি বেড়েছে। স্থানীয়দের এমন দাবির সঙ্গে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুজ্জামান ভূঁইয়ার বক্তব্যের মিল নেই। তিনি বলেন, এখন যে অবস্থায় আছে ঢাকার বন্যা, এর চেয়ে বেশি অবনতি হওয়ার আশঙ্কা নেই। এ সপ্তাহটা থাকবে বন্যা পরিস্থিতি। তারপর আগামী সপ্তাহ থেকে কমতে শুরু করবে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুন - ২০
ফজর৩:৪৩
যোহর১২:০০
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৬
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৭৫২৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.