নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা,সোমবার ৫ আগস্ট ২০১৩, ২১ শ্রাবন ১৪২০, ২৬ রমজান ১৪৩৪
বদলে দাও ইতিহাস এগিয়ে এসো যুবসমাজ
ছৈয়দ আন্্ওয়ার
আজকের সময়কে ভিন্ন ধারা, দিনবদল অথবা পরিবর্তনের বলেই মনে হচ্ছে।

এ ধারা আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বই সৃষ্টি করেছেন। অবশ্য তারা এ ব্যতিক্রমী চিন্তা-চেতনাকে আজ অবধি কখনো বাস্তবায়ন করতে পারেননি।

যে কারণে মানুষ তাদের ওপর কোন আস্থা রাখতে পারছে না। তাদের ব্যর্থতার মূল্যায়ন এসেছে নানাভাবে। আজ আমরা সেদিকে বিস্তারিত আলোচনায় না গিয়ে শুধুমাত্র দু' প্রধান দলের বহুল আলোচিত দুই যুব নেতার ক'দিন আগের দেয়া দেশ গড়ার বক্তব্য এবং যুবসমাজের করণীয় বিষয়ে আলোচনা করবো। যার মধ্যে হয়তো আমরা আজকের হতাশা কাটিয়ে নতুন এক বাংলাদেশের পথে এগুতে পারি। এতে করে বদলানো সম্ভব ঘুণেধরা সমাজ ব্যবস্থাকে। পরিবর্তনের এ পথে অগ্রভাগে থাকতে হবে সব সময়ের আলোকিত পথের দিশারি যুবসমাজকে।

যুবকরাই যে আশাহত জাতিকে আশার আলোয় নিয়ে যেতে পারে- তা আমরা প্রাচীনকাল থেকেই দেখতে পাই। সভ্য সমাজ আর কৃষ্টিকালচারে ফিরিয়ে আনতে যুবকরাই জীবনের ঝুঁকি মাথায় রেখে অথবা জীবন দিয়েই লড়াই সংগ্রাম করেছে। তাদের অপরিসীম ভূমিকা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন গতিশীল হয়। পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধেও যুবকরাই সেরা অবদান রেখেছে। এদের ত্যাগের ফসল আজকের স্বাধীন বাংলাদেশ। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো আজকের যুবকরা চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও চোরাচালানি অনৈতিক জঘন্য অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছে। তারা হারিয়ে ফেলেছে জ্ঞান অর্জনের অতীত ঐতিহ্য। মানুষের অধিকার আদায়ে যুবকদের সেই সংগ্রামী ইতিহাস এখন শুধু বইয়ের পাতায় স্থান পেয়েছে। বাস্তবে কিন্তু মানুষের কাছে এক মূর্তিমান আতঙ্ক হলো যুবসমাজ।

জাতীয় সংসদে এমপিদের অরুচিকর বক্তব্য শুনলে বোঝা যায়, যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় কোন স্তরে নেমেছে। অথচ সমাজ পরিবর্তনে যুবসমাজের কোন বিকল্প নেই। তাদের ছাড়া আগামীদিনের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ যে কোন মতেই সম্ভব নয়-তা একটি সহজ কথা। এ সহজ বিষয়টিকে কিন্তু জটিল করে তুলেছে একশ্রেণীর রাজনীতিবিদ তাদেরই দলের ব্যানারে। এটাও গোটা জাতি জানে। কিন্তু তাদের কিছুই করার নেই। এই একটি চিহ্নিত মহলের কাছে শুধু যুবসমাজ নয়, সারাদেশের মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে। যুবসমাজ নিয়ে আজ সর্বক্ষেত্রে যত হতাশা তা কিন্তু আমাদের জন্য বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়। একটি মহল আমাদের জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাতা এ যুবকদের অস্ত্র, মাদকসহ চোরাচালানির মতো জঘন্য পেশায় নিয়ে গেছে। এদের এভাবে কালো ধান্ধায় নেয়ার উদ্দেশ্য হলো তাদের মেধাশূন্য করে দেয়া। আর মেধাশূন্য জাতির যে কি হাল হয়-তা আমরা সবাই অল্পবিস্তর এখন উপলব্ধি করছি।

মূলত দেশে আজ যুবসমাজ যেভাবে বিপথে পরিচালিত হয়েছে তা আমাদের জন্য এক অস্বস্তিকরই বটে। এর নেপথ্য কারণ এক এক করে লেখা হলে বেরিয়ে আসবে অতি কুৎসিত নোংরা এক ইতিহাস। যার পাতায় পাতায় আছে-এ অঞ্চলের বীর জনতাকে দাবিয়ে রাখা অথবা তাদের মূলে বা যুবকদের নিঃশেষ করে দেয়ার সুদূরপ্রসারি পরিকল্পনা। এর নায়ক বা খলনায়কের ভূমিকায় দেখা যাবে রাজনীতিবিদ নামক চরিত্রহীন দেশদ্রোহী একটি মহল। আজকের সময়ের বড় খবর যুবকরা তাদের বুঝতে শিখেছে। দেশের জন্য মানুষের জন্য তাদের যে দরদ তা আমাদের মতো বয়সীদেরও অনুপ্রাণিত করে। মিডিয়ায় সর্বশেষ খবর হলো প্রধান দুই দলে এখন যুবক নেতারা দল এবং দেশের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি নিয়ে এগুচ্ছেন। তাদের অনুরোধ রাখবো যুবক বিশেষ করে ছাত্রদের জ্ঞান অর্জনই একমাত্র ব্রত হওয়া উচিত। এদিকে বেশি খেয়াল রাখুন। পাশাপাশি যুবকদের সত্যিকার পরিচয় যারা নষ্ট করেছে তাদের চিহ্নিত করতে হবে। এ ধারায় এগুলেই আশা করা যায় এ ইতিহাস বদলে দেয়া কঠিন কিছু নয়।

পাদটীকা : যুবকরাই সকল শক্তির নিয়ামক। তারা সত্যিকার নেতৃত্ব পেলে যেতে পারে অনেকদূর। তাদের জন্য আজকের সময়ে সবচেয়ে বেশি দরকার সৎ, যোগ্য, দক্ষ অভিজ্ঞ এবং দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব। এ রকম একজন কা-ারীই এদেরকে নিয়ে ইতিহাস রচনা করতে পারবেন। কেউ একজন সাহস করে এগিয়ে আসুন না। দেখবেন যুব সমাজ আপনাকে নেবে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে।

ছৈয়দ আন্ওয়ার : সাংবাদিক কলামিস্ট

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
Jobs in Bangladesh
Jobs in Bangladesh
আজকের নামাজের সময়সূচীআগষ্ট - ৫
ফজর ৪:০৮
যোহর ১২:০৫
আসর ৪:৪২
মাগরিব ৬:৪২
এশা ৮:০১
সূর্যোদয় - ৫:৩০সূর্যাস্ত - ০৬:৩৭
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৭১
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদকঃ আহ্‌সান উল্লাহ্॥ প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত এবং সড়ক ৩১, বাড়ি ২৩, গুলশান, ঢাকা-১২১২ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০। ফোনঃ ৮৩১৫১১৫ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.