নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৩১ ভাদ্র ১৪২৮, ৬ সফর ১৪৪৩
সুদিনের আশায় জাতি
ছৈয়দ আন্ওয়ার
দেরিতে হলেও আমাদের জাতীয় শিক্ষানীতিতে পরিবর্তন আসছে_ বিরাট খুশির খবর। ১৯৭২ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গৃহীত ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন প্রণীত হয়। এটা ছিল প্রাচীন শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের উপযোগী সমাজ গঠনমূলক একটি সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থার রূপরেখা। কিন্তু অজ্ঞাত এক অনিবার্য কারণবশত কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়ন বিলম্বিত হয়। তারপর থেকে শিক্ষাক্রমে যুগোপযোগী কোনো পরিবর্তন আসেনি। সেই থেকে আজো পর্যন্ত সেই ব্রিটিশদের প্রাচীন শিক্ষাক্রমেই চলে আসছে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা। যা আমাদের উন্নত বিশ্বের সাথে সাথে এগিয়ে চলতে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কারের ফলে নতুন নতুন কাজের দ্বার উন্মোচন হচ্ছে। যার সাথে বিশেষ শিক্ষা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে, ফলে সাধারণ শিক্ষার চেয়ে কর্মমুখী শিক্ষাই অধিক গুরুত্ব পাচ্ছে।

নতুন শিক্ষাক্রমের খসড়া অনুমোদন আমাদের জাতি গঠনে ভিন্নমাত্রা এনে দেবে সন্দেহ নেই। তাতে থাকছে না কথায়

কথায় পরীক্ষা নামক খড়গ, যা শিক্ষার্থীকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত রাখে। সেখানে যোগ হচ্ছে শিখনকালীন মূল্যায়ন। থাকবে দক্ষতা অর্জনের জন্য নতুন বিষয় 'জীবন ও জীবিকা' সম্বন্ধে বাস্তব জ্ঞান লাভের সুযোগ। শিশুদের ওপর পিএসসি এবং জেএসসি নামক পাবলিক পরীক্ষার যে বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল তা বাদ পড়েছে নতুন শিক্ষাক্রম থেকে। বহু বছর থেকে যা শিক্ষাবিদরা বলে আসছিলেন তা এতদিনে বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষাবিদরা অনেক সন্তুষ্ট। তাদের মতে, সময়ের প্রয়োজনে বৈশ্বিক চাহিদার ভিত্তিতে শিক্ষা কারিকলামে পরিবর্তন-পরিমার্জন প্রয়োজন পড়ে।

পুনশ্চ : সবচেয়ে বড় কথা, নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের বিভাগ নির্বাচনে সময়ের পরিবর্তন। তারা তাদের নিজের আকাঙ্ক্ষা এবং যোগ্যতা অনুযায়ী নিজেকে গড়ে নেয়ার সুযোগ পাবে। কারণ শিক্ষার ভিত্তিতে তৈরি হবে কর্মসংস্থান। কর্মসংস্থানের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষায় এনে দেবে দক্ষতা। দক্ষ জনশক্তিই জাতি গঠনের অন্যতম প্রধান নিয়ামক।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ২২
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৪
মাগরিব৫:৫৮
এশা৭:১১
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫৩
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৩৮৭.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.